• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ত্যাগী বিএনপি কর্মী রিফাত মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা ঘিরে উত্তেজনা, জনমনে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন কাপ্তাই হ্রদে পোনা অবমুক্ত ও জেলেদের মাঝে ভিজিএফ বিতরণ খণ্ডিত অডিও প্রচারের মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগে জামালপুরে শ্রমিকদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে ৩০০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে ৩০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার জামালপুরের মেলান্দহে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে র‍্যাব-১০ এর অভিযান: ৬৮ রাউন্ড গুলি’সহ আটক ৫ চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়ে যায় শিশুটি, জড়িয়ে ধরে শুয়ে প্রাণ বাঁচালেন বাবা সিএনজি-ট্রাক সংঘর্ষে ৫ এসএসসি পরীক্ষার্থী গুরুত্ব আহত মোরেলগঞ্জে ১০ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৯ কর্মচারীর বদলি: বলির পাঁঠা কারা? জেল সুপার ও জেলার কেন দায়মুক্ত?

চ্যানেল আর ডেস্ক রিপোর্ট / ৬৩৩ Time View
Update : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

চ্যানেল আর ডেস্ক রিপোর্ট: গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে সংঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৯ জন কারা কর্মচারীর শাস্তিমূলক বদলি আদেশ জারি হওয়ায় প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এরা কি প্রকৃত অপরাধী, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার বলির পাঁঠা?

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কারা অভ্যন্তরের ভেতরে রাজনৈতিক/সন্ত্রাসবিরোধী মামলার ৩৬ জন বন্দী রাজনৈতিক স্লোগান দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়।
পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত আদেশে ৯ জন কর্মচারীকে বদলি করা হয়।
তবে ভুক্তভোগী কর্মচারী ও তাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, তদন্তে প্রকৃত দায় নির্ধারণ না করে নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের একতরফাভাবে দায়ী করা হয়েছে। তাদের দাবি—একটি কারাগারের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তদারকির দায়িত্ব জেল সুপার ও জেলারদের ওপর বর্তায়। যদি বন্দীদের রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে সেই দায় শুধু কর্মচারীদের ওপর বর্তাতে পারে না।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
একই ঘটনায় ৯ কর্মচারীর বদলি কার্যকর হলেও সংশ্লিষ্ট জেল সুপার ও জেলারদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন? তারা কি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত?

ভুক্তভোগীদের মতে, প্রশাসনিক কাঠামোয় দায়িত্বের একটি সুস্পষ্ট শৃঙ্খল রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদারকি ছাড়া কারাগারের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা দীর্ঘস্থায়ী বা অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার সুযোগ থাকে না। তাই কেবল নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বদলি করে দায় নির্ধারণ করলে তা ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বিতর্ক সৃষ্টি করে।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলে সকল পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা সমানভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায় এটি প্রশাসনের ভেতরে বৈষম্যমূলক বার্তা দেবে এবং কর্মচারীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ভুক্তভোগীরা একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য—
পদমর্যাদা নয়, দায় ও প্রমাণের ভিত্তিতেই হোক বিচার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category