নিজস্ব প্রতিবেদক: দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ ফয়সাল হাওলাদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় ঐ সাংবাদিক ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে। সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদার ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন শাক্তা ইউনিয়নের জিয়ানগর এলাকায় একটি নিউজের কাজে ছিলেন। এসময় ফেসবুক মেসেঞ্জারে একাধিক হুমকিমূলক বার্তা পাঠিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের কুখ্যাত ক্যাডার জুলাই আন্দোলনকারীদের উপর হামলাকারী এলাকা থেকে পলাতক মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন।
সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবাদী মোহাম্মদ মোজার হোসেন (৪৬), পিতা মৃত আয়নাল খান, সাং—গোয়ালখালী, ইউনিয়ন—চিত্রকোট, থানা—সিরাজদিখান, জেলা—মুন্সীগঞ্জ। ওই ব্যক্তি তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি “Mohammad Mukter Hossain” (লিংক: facebook.com/mohammadmukter540aB759Jchxw6v) থেকে সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
এবিষয়ে সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল বলেন,
( ১৩ নভেম্বর) ২০২৪ সালে সিরাজদিখানে জুলাই আন্দোলনকারীদের উপর হামলাকারীও অর্থ যোগানদাতা,ভূমিদস্যু, কুখ্যাত সন্ত্রাসী, যুবলীগের ক্যাডার,চাঁদাবাজ ও মামলাবাজ মোহাম্মদ মোক্তার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। সেই সংবাদ প্রকাশ হয়েছে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ ও বিডিসি ক্রাইম বার্তাসহ দেশের স্বনামধন্য প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। সেই ঘটনার জের ধরে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আমি পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে সবসময় দায়িত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে কাজ করে আসছি। কিন্তু এখন নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে আছি। আমি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি। মোহাম্মদ মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন,
সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল হাওলাদারের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এই ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সহকর্মীরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত অপরাধী মোহাম্মদ মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।