দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন পরিবারের অন্যতম ক্যাডার ছিলেন নুর আলম। বিপু এবং শাহীন পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রকাশ্যে প্রিয়াঙ্কন আবাসিক এলাকা ও রাজেন্দ্রপুরের অসহায় ব্যক্তিদের জমি থেকে মাটি কাটা, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ সকল প্রকার অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়াতেন এই নুর আলম। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ জনতার উপর অত্যাচার নির্যাতনে জড়িত থাকা, অর্থ আআত্মসাৎ ও প্রতারনসহ একাধিক মামলা রয়েছে এই আওয়ামী লীগ নেতার।
তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে কিছুদিন পলাতক থেকে ফের রাজেন্দ্রপুরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিপু ও শাহীন পরিবারের দোসর নুর আলম।
সচেতন মহল বলছে নুর আলমকে আইন-শৃংখলাবাহিনী এখনই না রুখলে বড় ধরণের নাশকতা ও প্রানহানীসহ বিঘ্ন হবে শান্তি শৃংখলার।
জানাগেছে, গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর নসরুল হামিদ বিপু ও শাহীনসহ এলাকার অন্য নেতাকর্মীরা পালিয়ে গেলেও কিছু দিন যেতে না যেতেই রাজেন্দ্রপুর বিপু ও শাহীন পরিবারের আস্থাভাজন ক্যাডার নুর আলম প্রশাসনের সাথে আতাত করে এলাকায় ফিরে ঘুরাফেরা করছে প্রকাশ্যেই। বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের আমলে নসরুল হামিদ বিপুর ছত্রছায়ায় শেখ জবেদ আলী কমপ্লেক্স মার্কেটের বিএনপি পন্থী দোকান মালিকদের কে বিনা কারণে দোকান থেকে উচ্ছেদ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তাদের কাছ থেকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেখ জবেদ আলী কমপ্লেক্স মার্কেটের একজন দোকানদার বলেন, খলিল মিয়া (ভাতের হোটেল) এর মালিক, পলাশ শীল (সেলুন) এর মালিক, মনছুর আহমেদ (ধানসিঁড়ি গোল্ড রেস্টুরেন্ট) এর মালিক তারা বিএনপি পন্থী হওয়ার কারণে তাদেরকে বিনা কারণে আলম সাহেব মার্কেট থেকে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা বলে উচ্ছেদ করেছেন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অস্ত্রসহ সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপু ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদের সাথেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জনতার উপর গুলি চালিয়েছিল নুর আলম।
রাজেন্দ্রপুরে নুর আলম বিপু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রকাশ্যে অবৈধ মাটি কাটার মহড়া, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ সকল প্রকার অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়াতেন।